ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ বঙ্গাব্দ: ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

৫ অক্টোবর থেকে পে ফিক্সেশন, অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে মিলতে পারে বকেয়া

  • প্রকাশের তারিখ: 04/10/2026, 02:55 PM | ফটো কার্ড
  • নিজস্ব প্রতিনিধি
  • সংবাদটি দেখেছেন: 23
৫ অক্টোবর থেকে পে ফিক্সেশন, অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে মিলতে পারে বকেয়া

নতুন বেতনকাঠামোয় সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কত দাঁড়াবে এবং বেতন কাঠামো কার্যকরের পর আগের সময়ের কত টাকা বকেয়া বা এরিয়ার হিসেবে পাওয়া যাবে—এখন এ বিষয়টিই সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। নতুন বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে আগামীকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের পে ফিক্সেশন কার্যক্রম।
এ প্রক্রিয়া অনলাইনে আইবাস প্লাস প্লাসের নির্ধারিত মডিউলের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে ফিক্সেশন শেষ করার কথা রয়েছে।
তবে পে ফিক্সেশনের জন্য শুধু কয়েকটি সাধারণ তথ্য দিলেই হবে না। চাকরিজীবীদের পূর্বের বেতন নির্ধারণ, পদোন্নতি, বদলি, সময় স্কেল, সিলেকশন গ্রেড, উচ্চতর গ্রেডসহ চাকরিজীবনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে। এসব তথ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথিও যাচাই করা হবে।
যেসব তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবে
আইবাস প্লাস প্লাসে পে ফিক্সেশন করার আগে চাকরিজীবীদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথি প্রস্তুত রাখতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে—
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর
জন্মতারিখ
বর্তমান পদবি ও গ্রেড
চাকরিতে যোগদানের তারিখ
৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত মূল বেতন
পূর্বের বেতন নির্ধারণের তথ্য
পদোন্নতি ও বদলির তথ্য
সময় স্কেল, সিলেকশন গ্রেড ও উচ্চতর গ্রেড সংক্রান্ত তথ্য
এসবের সমর্থনে থাকা অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথি
আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত সচল মোবাইল নম্বর
ভুল তথ্য দিলে জটিলতা হতে পারে
পে ফিক্সেশনের সময় কোনো তথ্য ভুল, অসম্পূর্ণ বা বাদ পড়লে নতুন বেতন নির্ধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে নাম, এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড এবং মূল বেতনের তথ্য ভুল হলে পরবর্তী সময়ে সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে।
একইভাবে পদোন্নতি, বদলি, সময় স্কেল, সিলেকশন গ্রেড কিংবা উচ্চতর গ্রেডের তথ্য বাদ পড়লে নতুন বেতন নির্ধারণের হিসাবেও তার প্রভাব পড়তে পারে। এর ফলে বকেয়া বা এরিয়ার পাওনার হিসাবেও পার্থক্য তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তথ্য দেওয়ার পর হবে যাচাই
অনলাইনে তথ্য পূরণ করে আবেদন জমা দিলেই পে ফিক্সেশন প্রক্রিয়া শেষ হবে না। সংশ্লিষ্ট বেতন ও হিসাব পরিশোধ কর্মকর্তার কার্যালয় অনলাইনে দেওয়া তথ্য চাকরির নথিপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করবে।
তথ্যে কোনো অসঙ্গতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট চাকরিজীবীকে তা সংশোধন করতে হতে পারে। যাচাই শেষে তথ্য সঠিক হলে পে ফিক্সেশন অনুমোদন করা হবে।
অনুমোদনের পর আইবাস প্লাস প্লাস থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি বিশেষ যাচাই নম্বর তৈরি হবে। পরবর্তী সময়ে চাকরির নথিতে ওই যাচাই নম্বরের পাশাপাশি নতুন নির্ধারিত মূল বেতনের তথ্য লিপিবদ্ধ করা হবে।
অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে বকেয়া পাওয়ার সম্ভাবনা
পে ফিক্সেশন সম্পন্ন হওয়ার পর নতুন নির্ধারিত মূল বেতনের ভিত্তিতে অক্টোবর মাসের বেতন বিল প্রস্তুত করা হবে। একই সঙ্গে নতুন ও আগের বেতনের পার্থক্য হিসাব করে পূর্ববর্তী সময়ের বকেয়া বা এরিয়ার নির্ধারণ করা হবে।
তবে সব সরকারি চাকরিজীবী সমান পরিমাণ বকেয়া পাবেন না। কার কত টাকা বকেয়া হবে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট চাকরিজীবীর গ্রেড, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন, নতুন কাঠামোয় নির্ধারিত বেতন এবং বেতন কার্যকরের তারিখসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর।
এ কারণে পে ফিক্সেশনের সময় বর্তমান বেতনের পাশাপাশি চাকরির পূর্ববর্তী বেতন নির্ধারণ ও পদোন্নতিসহ সংশ্লিষ্ট সব তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করা গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনীয় নথি ও অফিস আদেশ আগে থেকেই প্রস্তুত রাখলে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে সুবিধা হবে।

  • আনুমানিক পড়ার সময়: 2 মিনিট
  • সর্বশেষ আপডেট: 13/10/2026, 10:28 PM
ন
নিজস্ব প্রতিনিধি
স্টাফ রিপোর্টার, প্রাইম সময়

প্রাইম সময়ের সম্পাদকীয় নীতিমালা অনুযায়ী সংবাদটি যাচাই করে প্রকাশিত হয়েছে। কোনো ভুল তথ্য বা সংশোধনের প্রয়োজন হলে যোগাযোগ করুন।