আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুরের নকলা উপজেলার ৬নং পাঠাকাটা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টুকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও আগ্রহ বাড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কার, কালভার্ট নির্মাণসহ বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি আলোচনায় উঠে এসেছেন।
মোবারক হোসেন মিন্টু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এবং বিএনপির একজন সক্রিয় নেতা। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা, এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা করা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে তিনি নিজস্ব একটি অবস্থান তৈরি করেছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর সমর্থকেরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার চলাচলের অনুপযোগী সড়ক মেরামত, কালভার্ট নির্মাণ এবং নানা জনকল্যাণমূলক কাজে তিনি সহযোগিতা করে আসছেন। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশের মধ্যে তাঁকে নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।
এর আগে মোবারক হোসেন মিন্টু দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। তবে তাঁর সমর্থকদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে রাতের আঁধারে ভোট কারচুপি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে তাঁকে পরাজিত করা হয়েছিল। তাঁদের দাবি, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ভোটাররা তাঁদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করার সুযোগ পাবেন।
এদিকে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে পাঠাকাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চলছে। মোবারক হোসেন মিন্টুর সমর্থকদের প্রত্যাশা, তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার, কালভার্ট নির্মাণ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য, জনপ্রতিনিধির প্রধান দায়িত্ব হলো মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করা। সেই প্রত্যাশা থেকেই তাঁরা মোবারক হোসেন মিন্টুর পক্ষে জনসমর্থন গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন।
সব মিলিয়ে, ৬নং পাঠাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টুকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা কতটা, তা নির্ধারিত হবে নির্বাচনী প্রচারণা ও ভোটের ফলাফলের মধ্য দিয়ে। জনগণের ভোটেই নির্ধারিত হবে পাঠাকাটা ইউনিয়নের আগামী দিনের নেতৃত্ব।